রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪

শিরোনাম

ঋণের সীমা স্থগিত করার বিলে সই বাইডেনের

রবিবার, জুন ৪, ২০২৩

প্রিন্ট করুন

ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র: দেশে ঋণের সীমা স্থগিত করার বিলে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। শনিবার (৩ জুন) বিলে সই করেন তিনি। এর মাধ্যমে বিলটি আইনে পরিণত হল। খবর সিএনএনের।

এর আগে গেল বুধবার গভীর রাতে বৈঠকে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ৩১৪-১১৭ ভোটে বিলটি পাস হয়। ঋণের সীমা স্থগিত না করলে সোমবার (৫ জুন) থেকে ঋণখেলাপি হয়ে যেত যুক্তরাষ্ট্র। এ আইন যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করল। এ বিলে সম্মতি দেয়া রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। অর্থনীতি বাঁচানোর বিলটি সই করার পর বাইডেন বলেন, ‘এ আইন দেশকে অর্থনৈতিক পতন থেকে বাঁচিয়েছে।’

বলে রাখা ভাল, করোনা ও ইউক্রেন যুদ্ধের রেশ পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির ওপর। মন্দার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল দেশ। এ পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিকে বাঁচাতে ডেট সিলিংয়ের প্রস্তাব আনেন জো বাইডেন। বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেসে বহু আলোচনা, বহু বিতর্ক হয়েছে। বিলটিকে বাইপারটিসান করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন বাইডেন। অর্থাৎ, রিপাবলিকান স্পিকার ম্যাকার্থি ও ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট একত্রে বিলটি প্রস্তাব করেন কংগ্রেসে, যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়েছে। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত বিলটি পেশ করা হয় হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভে।

আশঙ্কা ছিল, এ বিল নিয়ে প্রবল বিরোধিতা হতে পারে। কিন্তু, সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভে বিপুল ভোটেই বিলটি পাস হয়।

এ বিল পাস না হলে তীব্র অর্থসংকটে পড়ত যুক্তরাষ্টও। সেনাবাহিনী থেকে সরকারি কর্মচারী- সবার বেতন বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সোশ্যাল সিকিউরিটি চেক দেয়া সম্ভব হত না। শুধু ঘরে নয়, এ পরিস্থিতি তৈরি হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও তার প্রভাব পড়ত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির ওপর যেহেতু বিশ্ব অর্থনীতির অনেকটাই নির্ভর করে, ফলে আন্তর্জাতিক মন্দার আশঙ্কা ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

৩১ দশমিক চার ট্রিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঋণে চলছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি। এ আইন পাশ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের কোষাগার শূন্য হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এ আইন ২০২৪ সাল পর্যন্ত ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর রাস্তা তৈরি করে দিল।