সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

শিরোনাম

কম ভোটের নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন আওয়ামী লীগের

সোমবার, জানুয়ারী ৮, ২০২৪

প্রিন্ট করুন

ঢাকা: রোববার (৭ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে টানা চতুর্থ বারের মত আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। এই নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ভোট গ্রহণ হয়েছে ২৯৯ টিতে। তবে, সব আসনে পড়েছে কম ভোট। অধিকাংশই ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে ও পূর্বাভাস অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চমকপ্রদ ফলাফল রয়েছে। খবর ইউএনবির।

রোবারের(৭ জানুয়ারি) নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী ২২২টি আসনে জয় পেয়েছে ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা (যাদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে পরিচিত) ৬২টি আসনে জয়ী হয়েছেন। এছাড়া, জাতীয় পার্টি মাত্র ১১টি আসনে জয়ী হয়েছে এবং বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ও বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি- এই তিনটি দলের একক প্রার্থী তাদের নিজ নিজ আসনে জয়ী হয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব জানান, রোববার (৭ জানুয়ারি) বিকাল তিনটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২৭ দশমিক ১৫ শতাংশ। কিন্তু, বিকাল চারটায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) অনুমান করেন, চূড়ান্ত ভোটদানের হার প্রায় ৪০ শতাংশ হতে পারে। তবে, মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে তা প্রয়োজন ছিল ১৩ শতাংশের মত।

ভোটদানের চূড়ান্ত সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার সকালে ঢাকা সিটি কলেজে ভোট দিয়েছেন। জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মাহবুবুল আলম জানান, গোপালগঞ্জ-তিনি আসনে শেখ হাসিনা দুই লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির এম নিজাম উদ্দিন লস্কর পেয়েছেন ৪৬৯ ভোট।

শেখ হাসিনা এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদ বাড়াতে যাচ্ছেন।

বেশ কিছু শীর্ষ নেতা এবারের নির্বাচনে হেরে গেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা, জাতীয় পার্টির শরিফা কাদের, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কাদের সিদ্দিকী, জাসদের হাসানুল হক ইনু, বেসামরিক বিমান পরিবহন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান, মমতাজ বেগম ও মৃণাল কান্তি দাস।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে হুমকি দেয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম-১৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

২৯৯টি আসনের প্রায় ৪২ হাজার কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র সাতটিতে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। আর একজন প্রার্থীর মৃত্যুর পর একটি আসনে ভোট স্থগিত করা হয়েছিল।

প্রধান বিরোধী দল বিএনপি, সমর্থন ও পূর্ববর্তী শাসন অভিজ্ঞতার দিক থেকে আওয়ামী লীগের সাথে তুলনীয় একমাত্র দল, অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানানোয় নির্বাচনের ফলাফল বেশিরভাগে আগেই নির্ধারিত হয়েছিল।