সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

শিরোনাম

চট্টগ্রামে ১৬ আসনের ১২টিতে নৌকা, তিনটিতে স্বতন্ত্র ও একটিতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জয়ী

সোমবার, জানুয়ারী ৮, ২০২৪

প্রিন্ট করুন

চট্টগ্রাম: রোববার (৭ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১২টিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। অবশিষ্ঠ চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জাতীয় পার্টি প্রার্থী একটিতে জয়ী হয়েছেন।

চট্টগ্রাম-এক (মিরসরাই) আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহবুব উর রহমান রুহেল ৮৯ হাজার ৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন (ঈগল) পেয়েছেন ৫২ হাজার ৯৯৬ ভোট। এছাড়া, জাতীয় পার্টির প্রার্থী এমদাদ হোসাইন চৌধুরী (লাঙ্গল) ৪০৮ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুল মান্নান (চেয়ার) ৫০৩ ভোট, একতারা প্রতীকের নুরুল করিম আফচার ১৯৯ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে কেন্দ্র ১০৬টি, মোট ভোটার তিন লাখ ৬৬ হাজার ৪৬৪ জন।

চট্টগ্রাম-দুই ফটিকছড়িতে আওয়ামী লীগের মনোনীত খাদিজাতুল আনোয়ার সনি এক লাখ ৩৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তরমুজ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন মো. আবু তৈয়ব ৩৬ হাজার ৫৮৭ ভোট পান। এছাড়া, সুপ্রিম পার্টির সৈয়দ সাইফুদ্দিন মাইজভাণ্ডারী তিন হাজার ১৩৮, চেয়ার প্রতীকের মীর মো. ফেরদৌস আলম ৫২৫, মোমবাতি প্রতীকের মো. হামিদ উল্লাহ এক হাজার ৫২৬, লাঙ্গল প্রতীকের মো. শফিউল আজম ২৫৫, ঈগল প্রতীকের মো. শাহজাহান দুই হাজার ২৫৭, ফুলকপি প্রতীকের রিয়াজউদ্দিন চৌধুরী ৩১০, ফুলের মালা প্রতীকের নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী ২৩০ ভোট পেয়েছেন। এখানে প্রার্থী ছিলেন নয়জন, কেন্দ্র ১৪২ ও মোট ভোটার চার লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৭ জন।

চট্টগ্রাম-তিন (সন্দ্বীপ) আসনে ৫৪ হাজার ৭৫৬ ভোট পেয়ে হ্যাট্রিক জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান মিতা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামাল উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ২৮ হাজার ৭০ ভোট। এছাড়া, অন্য ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে মশাল প্রতীকের প্রার্থী নুরুল আকতার ৫৬৬ ভোট, লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির এমএ ছালাম ১৩৫, মোমবাতি প্রতীকের মুহাম্মদ উল্যাহ খান ২২২ ভোট, নুরুল আনোয়ার হিরন (একতারা প্রতীক) ৭০ ভোট, চেয়ার প্রতীকের আবদুর রহীম ১১৭ ভোট, আম প্রতীকের অধ্যক্ষ মোকতাদের আজাদ খান ১৫০ ভোট পেয়েছেন। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা তিন হাজার ৫০৫টি। এখানে মোট ভোটার দুই লাখ ৪১ হাজার ৯১৪ জন। ভোট পড়েছে ৩৬ দশমিক ২১ শতাংশ।

চট্টগ্রাম-চার সীতাকুণ্ড আসনে নৌকার প্রার্থী এসএম আল মামুন এক লাখ ৪২ হাজার ৭০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন জাতীয় পার্টির দিদারুল কবির চৌধুরী পেয়েছেন চার হাজার ৮৮০ ভোট। সাড়ে চার হাজার ভোট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন স্বতন্ত্র মো. ইমরান। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মোজাম্মেল হোসেন এক হাজার ৭২৩, তৃণমূল বিএনপির খোকন চৌধুরী ৬৭১, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের প্রার্থী মোহাম্মদ আকতার হোসেন ২৩৪, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ৩৪৫ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী ভোটের যুদ্ধে ছিলেন। মোট ভোটার চার লাখ ২৭ হাজার ১৭২ জন।

চট্টগ্রাম-পাঁচ হাটহাজারীতে লাঙল প্রতীকের জাতীয় পার্টি প্রার্থীর আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ৪৩ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কেটলি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ৩১ হাজার চার ভোট। এছাড়া, চাকুসর সাবেক ভিপি নাজিম উদ্দিন (সোনালী আঁশ) এক হাজার ৮৩, ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসির হায়দার করিম ৩৭৬, ইসলামিক ফ্রন্টের (চেয়ার) সৈয়দ হাফেজ আহমদ ৬১৮ পেয়েছেন। এখানে প্রার্থী ছিলেন আটজন। মোট ভোটার চার লাখ ৭৪ হাজার ৪৫৫ জন, কেন্দ্র ১৪৬টি। ভোটের হার ১৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

চট্টগ্রাম-ছয় (রাউজান) আসনে টানা পঞ্চম বার নৌকা প্রতীকে জয়ী হয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন দুই লাখ ২১ হাজার ৫৭২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিউল আজম পেয়েছেন তিন হাজার ১৫৯ ভোট। অন্যদের মধ্যে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মোহাম্মদ সফিক-উল আলম চৌধুরী দুই হাজার ৬৫৪ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ার প্রতীকের স ম জাফর উল্লাহ এক হাজার ৯৩৭ ভোট ও তৃণমূল বিএনপির (সোনালি আঁশ) মো. ইয়াহিয়া জিয়া চৌধুরী এক হাজার ১৪৯ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে ভোট পড়েছে ৭২ দশমিক ৭২ শতাংশ।ভোটার তিন লাখ ১৬ হাজার ৯২০ জন।

চট্টগ্রাম-সাত (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়ন) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী, দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৯৮ হাজার ৯৭৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী ইকবাল হাছান পেয়েছেন নয় হাজার ৩০১ ভোট। এ ছাড়া, জাতীয় পার্টির মুছা আহমেদ রানা (লাঙ্গল) দুই হাজার ৩০৮ ভোট, তৃণমূল বিএনপির খোরশেদ আলম (সোনালী আঁশ) এক হাজার ৩৩১ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্টের আহমদ রেজা (চেয়ার) এক হাজার ৩৯০ ভোট, সুপ্রিম পার্টির মোরশেদ আলম (একতারা) এক হাজার ১৩০ ভোট। এ আসনে ১০৩ কেন্দ্রে মোট ভোটার তিন লাখ ১৩ হাজার ৯১। এর মধ্যে ভোট পড়েছে দুই লাখ ১৪ হাজার ৪৩৬। ভোটের হার ৬৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

চট্টগ্রাম-আট (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে কেটলি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুচ ছালাম ৭৮ হাজার ২৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুলকপি প্রতীকের বিজয় কুমার চৌধুরী পেয়েছেন ৪১ হাজার ৫০০ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সোলাইমান আলম শেঠ পেয়েছেন আট হাজার ২৩৫ ভোট। এ আসনে ভোট কেন্দ্র ১৮৪, প্রার্থী দশজন, মোট ভোটার পাঁছ লাখ ১৫ হাজার ৪৭৩ জন।

চট্টগ্রাম-নয় (বাকলিয়া-কোতোয়ালী) আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এক লাখ ৩০ হাজার ৯৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে সাত প্রার্থীর মধ্যে ভোট এক হাজার ৯৮২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সানজিদ রশীদ চৌধুরী। এছাড়া, মোমবাতি প্রতীকের আবু আজম এক হাজার ৫৩২, কুঁড়ে ঘর প্রতীকের ন্যাপের মিটল দাশগুপ্ত ৯২৮, ইসলামিক ফ্রন্টের চেয়ার প্রতীকের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ এক হাজার ৯১৪, কল্যাণ পার্টির নুরুল হোসাইন ৫৩৭ ও তৃণমূল বিএনপির সুজিত সরকার ৬৭৩ ভোট পেয়েছেন। মোট ভোটার চার লাখ নয় হাজার ৫৭৬ জন, ভোটের হার ৩৪ দশমিক ৪০ শতাংশ।

চট্টগ্রাম-দশ (খুলশী-পাহাড়তলী-হালিশহর) আসনে নৌকার প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চু ৫৯ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুলকপি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মনজুর আলম পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৫৩৫ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ মাহমুদ পেয়েছেন দুই হাজার ৩৮ ভোট। এ আসনে প্রার্থী ছিলেন দশজন, কেন্দ্র ১৪৮ ও মোট ভোটার চার লাখ ৮৫ হাজার ৯৯০ জন।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বন্দর-পতেঙ্গা আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার এমএ লতিফ ৫১ হাজার ৪৯৪ ভোট পেয়ে জিতেছেন। তার নিতটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী কেটলি প্রতীকের জিয়াউল হক সুমন পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৫২৫ ভোট। এখানে প্রার্থী ছিলেন সাতজন, ভোটার পাঁচ লাখ এক হাজার ৮৪৮ জন।

চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনে নৌকার প্রার্থী দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এক লাখ ২০ হাজার ৩১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সামশুল হক চৌধুরী ৩৫ হাজার ২৪০ ভোট পেয়েছেন। এখানে প্রার্থী ছিলেন নয়জন, মোট ভোটার তিন লাখ ২৯ হাজার ৪২৮ জন।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে সাইফুজ্জামান চৌধুরী এক লাখ ৮৭ হাজার ৯২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্টের মাস্টার আবুল হোসেন (মোমবাতি) পেয়েছেন পাঁচ হাজার ১৫১ ভোট। এছাড়া, ইসলামিক ফ্রন্টের স ম হামেদ হোসাইন (চেয়ার) এক হাজার ৬৬৮ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুর রব চৌধুরী টিপু (লাঙ্গল) পেয়েছেন তিন হাজার ৩০৬, খেলাফত আন্দোলনের মৌলভী রশিদুল হক (বট গাছ) ৬১৫, তৃণমূল বিএনপির মকবুল আহমদ চৌধুরী সাদাদ (সোনালী আঁশ) ৮৩৭ ভোট, সুপ্রিম পার্টির মো. আরিফ মঈনুউদ্দিন (একতারা) ৬১৩ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার এক লাখ ২৬ হাজার ২৫৭ জন। এর মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ৬৫ হাজার ৫৫২ জন ভোটার। এখানে মোট প্রার্থী ছিলেন সাতজন। ভোটার তিন লাখ ৫৬ হাজার ৮৬৪ জন।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে নৌকার প্রার্থী নজরুল ইসলাম চৌধুরী ৭১ হাজার ১২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল জব্বার চৌধুরীর পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৮৮৪ ভোট। এখানে প্রার্থী ছিলেন আটজন, ভোটার দুই লাখ ৮৮ হাজার ১২২ জন।

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের নেতা এমএ মোতালেব ৮৫ হাজার ৬২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান সাংসদ আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী পেয়েছেন ৩৯ হাজার ২৫২ ভোট। এ ছাড়া, জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকের মোহাম্মদ ছালেম ৩৮০, মিনার প্রতীকের প্রার্থী ২৯৪, মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী হোসাইন ৩৬২ ভোট পেয়েছেন। এখানে প্রার্থী ছিলেন সাতজন, মোট ভোটার চার লাখ ৫৮ হাজার ৪০৩ জন, কেন্দ্র ১৫৭টি।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে ৫৭ হাজার ৪৯৯ হাজার পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রতীকের প্রার্থী মুজিবুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল্লাহ কবির লিটন (ট্রাক) পেয়েছেন ৩২ হাজার ২২০ ভোট। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নৌকার প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর প্রার্থিতা রোববার (৭ জানুয়ারি) বিকাল চারটার দিকে বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। চট্টগ্রাম জেলা রিটার্নিং অফিসার জানিয়েছেন, নৌকার মোস্তাফিজের প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় তার ভোট গণনা করা হয়নি। এ ছাড়া, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্টের মোহাম্মদ মহিউল আলম চৌধুরী (মোমবাতি) এক হাজার ১২৫, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুল মালেক পেয়েছেন ৫০৩ ভোট। এ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ১২ জন। ভোটার তিন লাখ ৬৫ হাজার ৭৯৫ জন।