সোমবার, ২৯ মে ২০২৩

শিরোনাম

জ্যাকসন হাইটসে ‘জয় বাংলা জয় বাংলাদেশ’ গ্রন্থের মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত

বুধবার, মার্চ ২২, ২০২৩

প্রিন্ট করুন

জ্যাকসন হাইটস, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র: বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর মাহমুদের লিখা আর্টিকেলের সংকলন ‘জয় বাংলা জয় বাংলাদেশ’ গ্রন্থের মূল্যায়ন সভা শনিবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের হাইটস্থ জুইস সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার শুরুতে কুরআন থেকে তেলোয়াত করেন জ্যাকসন হাইটসের খতিব মাওলানা আব্দুস সাদিক।

সাংবাদিক আদিত্য শাহিনের সঞ্চালনায় ও সাঈদ এম আলমের ব্যবস্থাপনায় সভায় বক্তব্য দেন সাংবাদিক মাঈনুদ্দিন নাসের, টাইম টিভির আবু তাহের, সাংবাদিক সাঈদ তারেক, বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ওয়াজেদ এ খান, প্রথম আলোর সম্পাদক ইব্রাহিম চৌধুরী খোকন, পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, নিউইয়র্ক কাগজের কন্ট্রিবিউটিং এডিটর মনোয়ারুল ইসলাম, জন্মভূমির সম্পাদক রতন তালুকদার, সাপ্তাহিক প্রবাসের সম্পাদক আবু সাঈদ, টিবিএন ২৪’র এএফএম জামান, আইনজীবী শেখ আখতারুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির নেতা আবু তালেব চান্দু, সারওয়ার চৌধুরী, আবুল কাশেম।

সভায় আবু জাফর মাহমুদ বলেছেন, ‘২০২৩ সালে বাংলাদেশ পাল্টে যাবে। বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে। আমরা একটা যুদ্ধে আছি। বিজয়ের দিকেই এগুচ্ছি। এ যুদ্ধ খোলা চোখে দেখা যাবে না। তবে, এটা স্বপ্ন নয়। ফলাফল সহসাই দেখবেন। বাংলাদেশ ফের হাসবে। আমার অভিঙ্গতা থেকেই এ কথা বলছি। রাতে ভিক্ষা করে দিনের বেলায় বড়বড় কথা বলার দিন শেষ হয়ে এসেছে। এ রাজনৈতিক ফটকাবাজির দিন শেষ।’

আমেরিকার পাশের দেশ কিউবার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘সেটাকে বদলাতে হাজার মানুষের প্রয়োজন হয় নাই। সমাজ পরিবর্তন করতে গেলে, বিপ্লব করতে গেলে হাজার হাজার জন লাগে না। আপনারা তা ২০২৩ সালেই দেখবেন। আমরাই হব উইনার ফোর্স। আমরা জিতবই।’

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ইউএসএনিউজঅনলাইন.কমের সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, রাজনীতিক মোর্শেদ আলম, হক কথার সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দীন, ভোরের কাগজের বিশেষ প্রতিনিধি শামীম আহমেদ, আই অন টিভির রিমন ইসলাম, চ্যানেল টিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শিবলী চৌধুরী কায়েস, বাংলাদেশ প্রতিদিনের আবুল কাশেম, নিউইয়র্ক কাগজের সম্পাদক আফরোজা ইসলাম, ফটো সাংবাদিক তুষার পিক, ব্যবসায়ী শাহা পলাশ।

সভায় অন্য বক্তারা বাংলাদেশে জাতীয় ঐক্য গড়তে জয় বাংলাদেশ স্লোগানে এগিয়ে আসার আহবান জানান। তারা বলেন, ‘রাজনৈতিক মতদ্বৈততা দূর করতে এ স্লোগানই হবে আগামীতে রাজনৈতিক ঐক্যের ভিত্তি।’