মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

শিরোনাম

তারেক রহমান কিভাবে রাজনৈতিক দলের প্রধান হন?

সোমবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৩

প্রিন্ট করুন

নিউজার্সি, যুক্তরাষ্ট্র: বাংলাদেশে সহিংস পরিবেশ সৃষ্টির জন্য দায়ী জামায়াত। তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রে এক আলোচনা সভায় এমন মত উঠে এসেছে। এ সময় নিরাপত্তা বিশ্লেষক ক্রিস ব্ল্যাকবার্ন প্রশ্ন তোলেন, ২১ আগস্ট ও দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় জড়িত তারেক রহমান কিভাবে একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান হন। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে একটি গোষ্ঠী বাংলাদেশ সম্পর্কে ভুল বোঝাচ্ছে বলেও আলোচনায় উঠে আসে।

শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সিতে অনলাইনে আয়োজন করা হয় ‘বাংলাদেশে সহিংসতা, ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র ও মার্কিন নীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভা। কাউন্সিলম্যান নুরুন নবীর পরিচালনায় এতে আলোচক ছিলেন বাংলাদেশের মানবাধিকার কর্মী শাহরিয়ার কবির, এবিএম নাসির। যুক্তরাষ্ট্র থেকে যোগ দেন দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পর্যবেক্ষক সেথ ওল্ডমিক্সন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক ক্রিস ব্ল্যাকবার্ন।

আলোচনায় শাহরিয়ার কবির বাংলাদেশের সহিংসতার মূল উৎস হিসেবে মওদুদীবাদকে দায়ী করেন। আর এ মতাদর্শের অনুসারী জামায়াতকে সন্ত্রাসবাদী দল হিসেবে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানান। এছাড়া, জামায়াতের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশ্রয়ের সমালোচনাও করেন তিনি।

শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘ধর্মের নামে যে দলটি মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে, তাদেরকে কেন সমর্থন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। জামায়াত একটা ফ্যাসিস্ট দল, খুনি দল। তারা গণহত্যার সাথে জড়িত।

সেথ ওল্ডমিক্সন বলেন, ‘বর্তমান শেখ হাসিনা সরকারের অভাবনীয় উন্নয়নের প্রচার না করার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকরা সত্য না জেনে নীতি নিয়েছেন।

ক্রিস ব্ল্যাকবার্ন বলেন, ‘তারেক জিয়া বাংলাদেশে ২১ আগস্ট ও দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার সাথে যুক্ত। এ ধরনের একজন ব্যক্তি কিভাবে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলের নেতা হন তা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি।

ক্রিস ব্ল্যাকবার্ন বলেন, ‘বাংলাদেশে সহিংসতা করা করছে? তৃণমূল পর্যায় থেকে যা জানা গেছে, তাতে এসব করছে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার ওপর হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া কী ছিল? বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই হামলায় জড়িত জানার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া কী ছিল? তারা যদি বাংলাদেশে সত্যিই গণতন্ত্র চায়, তাহলে তারেককে সরাতে কোন পদক্ষেপ কেন নিল না?’

সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, আর্থ সামাজিক, অবকাঠামোগত ও মানব সম্পদ উন্নয়নের বিষয়গুলো যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের সামনে তুলে ধরতে গুরুত্বারোপ করেন আলোচকরা।