বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

শিরোনাম

তেল ও সারসহ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এনডিএফের বিক্ষোভ-সমাবেশ

শনিবার, আগস্ট ১৩, ২০২২

প্রিন্ট করুন

চট্টগ্রাম: জ্বালানী তেল ও সারসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে শুক্রবার (১২ আগস্ট) বিকালের সিটির পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) কোতোয়ালী থানা শাখার আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক। বক্তব্য দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ চট্টগ্রাম জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহ আলম, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) নেতা মোফাজ্জল হোসেন।

সমাবেশে বক্তারা জ্বালানী তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কম থাকা সত্বেও সাম্রাজ্যবাদী বিশ্ব সংস্থা আইএসএফের ঋণের শর্ত পূরণে জ্বালানী তেলের দাম বৃদ্ধি করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত তা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।

চাল-ডাল-পানি, ওষুধ ও ইউরিয়ার সারসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান। সরকার কথিত উন্নয়নের নামে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে সাম্রাজ্যবাদ ও তার এ দেশীয় দালালদের অবাধে লুটপাঠ করার সুযোগ করে দিয়েছে। এ বারের বাজেটের ১৯ দশমিক দুই ভাগ দেশী-বিদেশী ঋণের সুদ দিতে হবে। যা দিয়ে কয়েকটি পদ্মা সেতু করা সম্ভব। বিগত দশ বছরে কয়েক লাখ কোটি টাকা লুট ও বিদেশে পাচার হয়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নতির কথা বলে বিদ্যুৎ সেক্টর সীমাহীন দূর্নীতির মাধ্যমে অবাধে লুটপাঠ করা হয়েছে। জনগণের নামে নেয়া ঋণের টাকা জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে পরিবহন ব্যয় ও কৃষি উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির ফলে জন-জীবনের সংকট আরো বৃদ্ধি পাবে, সব নিত্য পণ্যের দাম হু-হু করে বাড়বে। এ অবস্থায় সার, ওষুধ, জ্বালানী তেলসহ সব দ্রব্য সামগ্রীর দাম কমানো, গার্মেন্টসসহ সব শ্রমিকের নিম্নতম মজুরি ২০ হাজার টাকা ঘোষণা, রেশনিং ব্যবস্থা চালু, সরকারে স্বৈরাচারী শাষণের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলে সাম্রাজ্যবাদ ও এ দেশীয় দালাল বিরোধী শ্রমিক-কৃষক-জনগণের রাষ্ট্র-সরকার-সংবিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বেগবান করার জন্য আহবান জানান।

সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন থেকে নিউ মার্কেট আমতল হয়ে কোতোয়ালী মোড় ঘুরে নিউ মার্কেট মোড়ে এসে শেষ হয়।