রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪

শিরোনাম

দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ

বুধবার, নভেম্বর ২, ২০২২

প্রিন্ট করুন

সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া: উত্তর কোরিয়া বুধবার (২ নভেম্বর) দশটিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যার একটি দক্ষিণ কোরিয়ার জলসীমার কাছাকাছি স্থানে আঘাত হানে। এ ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়োন সুক-ইওল বলেন, ‘পিয়ংইয়ংয়ের এসব ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ‘কার্যকরভাবে আঞ্চলিক আগ্রাসনের’ শামিল। খবর এএফপির।

খবরে বলা হয়, ‘স্বল্প পাল্লার একটি ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নর্দার্ন লিমিট লাইন অতিক্রম করে। উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে লাইনটি কার্যত: সমুদ্র সীমান্ত। এর ফলে উলিউংদো দ্বীপের লোকজনকে বাঙ্কারে আশ্রয় নেয়ার সতর্কবার্তা জারি করা হয়।’

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের বৈরিতার অবসানে দ্বীপটি বিভক্ত হওয়ার পর এমন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ক্ষেত্রে এটি ছিল প্রথম। এ ঘটনায় উত্তর কোরিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র দক্ষিণ কোরিয়ার আঞ্চলিক জলসীমার একেবারে কাছে গিয়ে পড়ে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের দপ্তরের এক বিৃতিতে বলা হয়, ‘প্রেসিডেন্ট ইয়োন আজ বলেন যে, উত্তর কোরিয়ার এ ধরনের উস্কানি হচ্ছে একটি কার্যকর আঞ্চলিক আগ্রাসনের শামিল। এসবের একটি দেশ ভাগের পর এ প্রথম বারের মত নর্দার্ন লিমিট লাইন অতিক্রম করে।’

সামরিক বাহিনী জানায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি দক্ষিণ কোরিয়া ভূখণ্ডের ৫৭ কিলোমিটার পূর্বে জলসীমার কাছাকাছি স্থানে আঘাত হানে।

তারা আরো জানায়, ‘আমাদের সামরিক বাহিনী উত্তর কোরিয়ার এমন উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের কঠোর জবাব দেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।’

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পরপরই দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, তারা উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানা ওই সমুদ্র সীমান্তের কাছে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ প্রাথমিকভাবে জানায়, স্বল্প পাল্লার তিনটি ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ শনাক্ত করে।

তবে তারা পরে জানায়, উত্তর কোরিয়া আজ পূর্ব ও পশ্চিম দিকে বিভিন্ন ধরনের দশটিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
ইয়োন সুক-ইওল উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পর দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিতে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ডাকেন।

এ দিকে, জাপান উত্তর কোরিয়ার এ সব ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার খবর নিশ্চিত করেছে। এ বিষয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ‘যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় নিরাপত্তা বৈঠক’ আহবানের পরিকল্পনা করেছেন।