মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

শিরোনাম

দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের টহল উসকানিমূলক

বৃহস্পতিবার, জুন ১, ২০২৩

প্রিন্ট করুন
মাও নিং

চীন: দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একটি বিমানের বিপদ সীমার মধ্যে এসে পড়েছিল একটি চীনা যুদ্ধবিমান। যুক্তরাষ্ট্র এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেছে। তবে, চীন পাল্টা বিবৃতিতে গোপনে দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের টহলকে উস্কানিমূলক আচরণ বলে মন্তব্য করেছে। বুধবার (৩১ মে) বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। একইসাথে যুক্তরাষ্ট্রের এমন কর্মকাণ্ডে চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও দাবি করা হয় চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।

মঙ্গলবার (৩০ মে) দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান আরসি-১৩৫ বিমানটি টহল দেয়ার সময় এর খুব কাছ দিয়ে চীনা যুদ্ধবিমান উড়ে যাওয়ার কথা জানায় মার্কিন সামরিক বাহিনী। এ ঘটনার পর চীনা বিমান বাহিনীর তীব্র সমালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় টহল দেয়ার সময় চীনা যুদ্ধবিমানের এমন আচরণ অগ্রহণযোগ্য বলে এক বিবৃতিতে জানায় মার্কিন সামরিক বাহিনী।

তবে, সে সময় এ নিয়ে কোন মন্তব্য না করলেও এবার গোপনে দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের টহলকে উস্কানিমূলক আচরণ বলে মন্তব্য করেছে চীন। এ বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, ‘চীনের উপর ঘনিষ্ঠ নজরদারি চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ মেয়াদী এবং ঘন ঘন জাহাজ ও বিমান পাঠানো চীনের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।’

বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ দিন ধরে চীনের ওপর গোপনে নজরদারি চালাচ্ছে। এতে চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। এ ছাড়া, নিজেদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যে কোন ধরনের পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মাও নিং বলেন, ‘এ ধরনের উস্কানিমূলক, বিপজ্জনক কার্যকলাপ সমুদ্রের নিরাপত্তা সমস্যার কারণ। চীন তার নিজস্ব সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে দৃঢ়ভাবে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেয়া অব্যাহত রাখবে।’

দক্ষিণ চীন সাগরে টহল দেয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমানের কাছ দিয়ে চীনা যুদ্ধ বিমান উড়ে যাবার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের একটি যুদ্ধবিমান মার্কিন সামরিক যুদ্ধবিমানের কাছাকাছি চলে আসে বলে দাবি মার্কিন সামরিক বাহিনীর।