মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪

শিরোনাম

নির্বাচনের প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৭, ২০২৩

প্রিন্ট করুন

টাঙ্গাইল: ‘বিদেশিরা কখনোই আমাদের চাপ দেয়নি। আমাদের এ ধরনের চাপ দেয়ার অধিকারও কারো নেই। কারণ, আমরা স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। নির্বাচন কমিশন সেই স্বাধীন দেশের সাংবিধানিক স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। আমাদের প্রতি কারো কোন চাপ নেই। শান্তিপূর্ণ অবাধ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন অন্য সবাইকে চাপ দিয়ে বেড়াচ্ছেন।’ বলেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলার প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত মত বিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

এতে বিএনপির নির্বাচনে আসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের যে পর্যন্ত সুযোগ ছিল, তা বলেছি। এ মুহূর্তে কোন সুযোগ আছে বলে আমাদের আইন অনুযায়ী দেখছি না। যদিও তারপরে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে চায়, সেক্ষেত্রে পরীক্ষা নীরিক্ষা করে দেখতে হবে। আমরা যা কিছু করি না কেন, তা সংবিধানের আলোকে করতে হবে।’

‘নির্বাচনের প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। অতীতের মত সেনাবাহিনী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে। আমরা এখনো সিদ্ধান্ত নেইনি। অতীতের জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন ছিল। এবার সেনাবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি।’

সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মো. আলমগীর আরো বলেন, ‘নির্বাচনে বুধবার (৬ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ৮২ জন বিদেশি পর্যবেক্ষকের আসার তালিকা পেয়েছি। ৪৬ জন বিদেশি সাংবাদিক আসবেন। নির্বাচনে একটি নীতিমালা রয়েছে। সে নীতিমালা সব সাংবাদিককে অনুসরণ করতে হবে।’

ইউএনও এবং ওসিদের বদলীর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা আমাদের সাথে সংলাপ করেছেন। সেখানে তাদের অভিযোগ ছিল সরকার প্রশাসনকে সাজিয়ে গুছিয়ে তাদের মত করে নিয়েছেন। সরকারের অনুকূলে তারা কাজ করেন। এ অবস্থায় প্রশাসনে পরিবর্তন করতে হবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অভিমত ছিল।’

জেলার প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মতিয়ুর রহমান ও টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ।