বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

শিরোনাম

পঁচাত্তরের খুনী ও যুদ্ধাপরাধীর প্রেতাত্মাদের প্রতিহত করতে প্রস্তুত যুবলীগ

বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৮, ২০২২

প্রিন্ট করুন

চট্টগ্রাম: জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৪৭তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মোহাম্মদ ফারুকের উদ্যোগে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট কালরাত্রিতে ঘাতকের নৃশংস হামলায় মৃত্যু বরণকারী সব শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় খতমে কোরআন, দোয়া মাহফিল শাহ আমানতের (রা) দরগাহ সংলগ্ন তানজিমুল মোছলেমীন এতিম ও হেফজখানায় বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোয়া মাহফিল শেষে তিনি দুঃস্থ অসহায় মানুষের মাঝে তাবারুক বিতরণ করেন।

এ সময় অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনায় মোহাম্মদ ফারুক বলেন, ‘পৃথিবীর বুকে জঘন্যতম বর্বর হামলায় সে দিন শিশু রাসেলসহ বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা ও তার পরিবার পরিজনকে সবংশে হত্যার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার স্বপ্নকে হত্যা করতে চেয়েছিল স্বাধীনতা বিরোধী দেশী ও বিদেশী চক্র। তারা বুঝতে পারে নি, যে মুজিব বাঙালির অন্তরে অন্তরে বিরাজ করে, তাকে হত্যা করা যায় না। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী ও ৭১ এর যুদ্ধাপরাধী ঘৃন্য নরপশুদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি দিতে সক্ষম হয়েছে। যে সব সাজাপ্রাপ্ত খুনীরা বিদেশে আত্মগোপনে রয়েছে, তাদেরকেও দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হবে। আমরা সজাগ রয়েছি। আমরা জানি, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যখন বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে সোনার বাংলায় পরিণত হতে চলেছে, তখন পুরানো শকুনের প্রেতাত্মারা নানামূখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা এ দেশে ২১ আগস্টের নৃশংসতা এনেছিল, তারাই সারা দেশে একযোগে ৬৩ জেলায় সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছিল। ৭৫ এর ঘৃণ্য হত্যাকান্ডে শেখ ফজলুল হক মণি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মীরা অতীতের মত দেশবিরোধী ও শেখ হাসিনা বিরোধী যে কোন ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে সদা প্রস্তুত রয়েছে।’

দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আবায়ক কুতুব উদ্দিন আল আজাদ, যুবলীগ নেতা হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, জামাল উদ্দিন ফারুকী, সরওয়ার কামাল রাজীব, মোজাম্মেল হক চৌধুরী, ফোরকান, শিমুল বড়ুয়া, শাহরুখ খান, শফিউল আজম রিয়াদ, তাজ উদ্দিন, তৌহিদুল আলম, আলী আশরাফ, আ ন ম সেলিম, আলমগীর বাদশা, দিদারুল আলম পিংকু, মো. আরিফ, শওকত, ইমরান, মো. ফোরকান, মো. হাশেম, আমছুর আলী, আরিফ মাহমুদ, হাসান, পারভেজ খান, আরিফুল আলম, খোরশেদ, ইকবালুর রহমান ওপেল, রবিউল হোসেন খোকন, বরাতুল ইসলাম বাবু, শেখ মো. মহিউদ্দিন, আলমগীর, সোহেল রানা, আবদুর রহিম, মিজানুর রহমান, মহিউদ্দিন খোকন, ফরহাদ খান, আবু তাহের, আনিসুর ইসলাম চৌধুরী, সৌমিক, এম শওকত, নাঈম, সোহেল চৌধুরী রনি, ফজলুল কাদের, আবদুর রহিম শুক্কুর।

মোনাজাত পরিচালনা করেন এতিম খানার তত্বাবধায়ক হাফেজ আমানউল্লাহ্।