শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

শিরোনাম

ব্রঙ্কসে অনুষ্ঠিত হল ‘মাকসুদা’র পিঠা উৎসব ও সঙ্গীতানুষ্ঠান

রবিবার, মার্চ ১৯, ২০২৩

প্রিন্ট করুন

নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র: উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মাকসুদা’র পিঠা উৎসব ও সঙ্গীতানুষ্ঠান। বুধবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের স্টারলিং-বাংলাবাজার এলাকায় গোল্ডেন প্যালেসে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। কমিউনিটি এক্টিভিস্ট, নারী নেত্রী ও কবি মাকসুদা আহমেদ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। আয়োজনে সহযোগিতা করে বাংলাদেশী আমেরিকান কালচারাল এসোসিয়েশনের (বাকা)।

উৎসবের উদ্বোধন করেন এ্যালেগ্রা হোম কেয়ারের প্রধান নির্বাহ কর্মকর্তা আবু জাফর মাহমুদ। পিঠা উৎসব ও সঙ্গীতানুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গোল্ডেন প্যালেসে নামে মানুষের ঢেউ। পিঠাপুলি দিয়ে বর্ণিল সাজে সাজানো হয় অনুষ্ঠানস্থল। পাটিসাপ্টা, ভাপাপিঠা, তেলে পিঠা, চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, পাকুন পিঠা, নারিকেল পুলি, নিমকি, সাবুদানা, ডালপুরি, ডালপাকন, বুলশাসহ নাম না জানা অসংখ্য পদের পিঠাপুলি ছিলে উৎসবে। এতে বাসায় তৈরি পিঠা আনার প্রতিযোগিতায় যেন মেতে ওঠেন আয়োজক ও তাদের বন্ধু-বান্ধবরা। হাতে তৈরি বাংলার ঐতিহ্যবাহী নানা আকৃতি ও নানা স্বাদ আর রঙের এসব পিঠা অতিথিদের জন্যে ছিল ফ্রী। প্রায় ৪০০ অতিথিকে পিঠাপুলি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন মাকসুদা আহমেদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী। বক্তব্য দেন আজিমুর রহমান বুরহান, রাজনীতিবিদ আব্দুর রহিম বাদশা, কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম, মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল চৌধুরী, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট আলমগীর খান আলম, রিয়েলস্টেট ইনভেস্টর নুরুল আজিম, বাকার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল হাশিম হাসনু, সভাপতি আহবান চৌধুরী খোকন ও সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার চৌধুরী, রিয়েলস্টেট ব্যবসায়ী সালেহ উদ্দিন সাল, সাংবাদিক আবু তাহের, আকবার হায়দার কিরন, হৃদয়ে বাংলাদেশ’র উপদেষ্টা মামুন রহমান ও সহ সভাপতি বদরুজ্জামান রুহেল।

উপস্থিত ছিলেন বাংলা ক্লাবের সহ-সভাপতি মোমিনুল ইসলাম, তিতাস মাল্টি সার্ভিসের কর্ণধার মেহের চৌধুরী, কবি কামরুন্নাহার রিতা, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট জামাল হুসেন, রায়হান জামান রানা, মখন মিয়া, জামাল আহমেদ, মার্গারেট মল্লিক, ইলা সরকার। উপস্থাপনা করেন কমিউনিটি এক্টিভিস্ট বদরুজ্জামান রুহেল ও রেজা আব্দুল্লাহ স্বপন।

বাউল শিল্পী কালা মিয়া, নিউইয়র্কের সঙ্গীত শিল্পী রোজি, সঙ্গীত শিল্পী সৈয়দ কামরুজ্জামান ফয়েজ ও মুসাফির মুক্তা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সাথে ছিলেন ঢোলক শফিক মিয়া। নৃত্য পরিবেশন করে ক্ষুদে নৃত্য শিল্পী মায়া অ্যাঞ্জেলিকা।

মাকসুদা আহমেদ বলেন, ‘পিঠা উৎসব বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতির অংশ। এ ধরনের উৎসব আমাদের মন প্রাণ বাঙালিত্বের আমেজে ভরে দেয়। প্রবাসে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি ও প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের কৃষ্টি-কালচারের সাথে পরিচিত করার লক্ষ্যে ব্রঙ্কসে সর্ব প্রথম পিঠা উৎসবের আয়োজন করে করি।’