সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪

শিরোনাম

মোবাইলের অপব্যবহার থেকে শিশু-কিশোরদের বের করতে হবে

বুধবার, আগস্ট ২৪, ২০২২

প্রিন্ট করুন

রাঙ্গামাটি: শোকের মাস আগস্ট উপলক্ষে স্বদেশ আবৃত্তি সংগঠনের আয়োজনে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব’ শিরোনামে আবৃত্তি ও কথামালা অনুষ্ঠান শুক্রবার (১৯ আগস্ট) বিকালে সম্পন্ন হয়েছে।

মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া সভাপতিত্বে কথামালা পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘স্বদেশ আবৃত্তি সংগঠনের আজকের আয়োজনে গভীরভাবে স্মরণ করছি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি মুজিবুর রহমানকে। স্মরণ করছি, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সব শহীদকে। আপনারা জানেন, রাঙামাটি একটি বৈচিত্র্যময় জেলা, এখানে বাংলা ভাষাভাষীদের পাশাপাশি চাকমা, মারমা, গাঢ়, ত্রিপুরা ও অন্যান্য ভাষাভাষী মানুষ বসবাস করে। বাংলার পাশাপাশি তাদের নিজস্ব ভাষায়ও সাহিত্য চর্চার প্রয়োজন। আমি কবিতা লিখতে না পারলেও কবিতা ও আবৃত্তি ভীষণ পছন্দ করি। রাঙামাটিতে স্বদেশ এত ব্যাপকহারে সুসংস্কৃতির চর্চা করছে, তা অনুষ্ঠানে না আসলে জানতাম না। আপনাদের কোরাস ও একক আবৃত্তি শুনে আমি আপ্লুত হয়েছি, আমি মুগ্ধ স্বদেশর এ আয়োজন দেখে।’

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মাহমুদা বেগম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুই একমাত্র ব্যক্তি ছিলেন, যিনি এক তর্জণীর ইশারায় পুরো বাঙালিকে জাগ্রত করেছিলেন। অপসংস্কৃতির এ যুগে শিশু-কিশোরদের মোবাইলের অপব্যবহার থেকে বের করে দেশীয় সংস্কৃতি চর্চার সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে। এখন থেকে শিশু কিশোরদের সংস্কৃতির চর্চা করালে ও শিশুদের গুণগত সময় দিলে ১৪-১৫ বছর পরে তার ভাল ফল ভোগ করতে পারব।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাহান বশীর, মুজিবুল হক বুলবুল, কবি হাসান মনজু।

আবৃত্তি করেন মাসুম আজিজুল বাশার, মুহাম্মদ মসরুর হোসেন, মুজাহিদুল ইসলাম, সুমনা চাকামা, বনকুসুম বড়ুয়া, সোহেল চৌধুরী খোকন, মো. রাকিবুল হাসান, মো. ইকবাল হোসেন জুয়েল।

মো. জসিম উদ্দিন ও মেরিলিন এ্যানির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সহ সভাপতি কবি আব্দুল কাদের আরাফাত। স্বদেশ আবৃত্তি সংগঠনের পক্ষ থেকে একক ও দলীয় আবৃত্তি করেন সৌপ্তিক সায়র সৌম্য, বিলিন্দা চাকমা, জয়িতা চাকমা, ডিয়নদ্রি চাকমা, তিষ্য চাকমা, জয়কেতু চাকমা, সুকৃতি বড়ুয়া, সুবিজ্ঞ চাকমা, রুমাইসা ইয়ালিনা মৌনতা, জুমাইনা মায়ামিন পূর্ণতা, মেহজাবিন বিনতে মিম, জিয়নী চাকমা, শ্রাবণ চাকমা, রুদ্র মুহুরি, শ্রেয়ান চাকমা, হিরণ্যা দেওয়ান নওসা, শেখ আজরিন সাদিয়া তনয়া, আয়েশা জান্নাত রাহা, ইয়াশনা আহমেদ সুহা, ইয়াশফা আহমেদ জুহা, সৌমিক সকাল সৌভ্য, সাইয়ারা সালসাবিল অর্থি, জেবা ফারিয়া, আরিয়া বিনতে আলাউদ্দিন, আফরোজ জারিন ছোঁয়া, মো. শাহরিয়ার আলিফ।

মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদের কোরাসে আবৃত্তি করেন মোহাম্মদ মছরুর হোসেন, নাবিলা আক্তার ইসপা, সোমা মুৎসুদ্দী, মনজুর আলম (মন্জু), ফাতেমা ইমরান, তাজুল ইসলাম, আফিয়া, আন্জুমান বৃষ্টি, আবদুল আওয়াল মুন্না, আয়াজ সানি, রিয়াজ উদ্দিন, লাকী আক্তার, আব্দুর রৌফ, নাছরিন সুলতানা তমা, জাকের আহমেদ, জিনাত আরা জয়া, সৈয়দা সাজেদা স্নিগ্ধা, হিজবুল্লাহ আল হাদী, বিবি ফাতেমা, বিবি আয়েশা, হামিদা খাতুন পান্না, মো. আতিকুর রহমান চৌধুরী।

অক্ষর আবৃত্তি পাঠশালার পূজিকো চাকমা, শোভিত চাকমা, রানজুনি চাকমা,বর্ষামনি চাকমা একক ও কোরাস আবৃত্তি করেন।