বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

শিরোনাম

লক্ষ্মীপুরে ভুয়া দলিলে প্রবাসীর জমি ভাগিয়ে নিলেন পীর

মঙ্গলবার, অক্টোবর ৪, ২০২২

প্রিন্ট করুন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: জায়গা-জমির সমস্যা দূর করার কথা বলে কাগজপত্র, আইডি কার্ড, ছবি ও বিভিন্ন অংকের নগদ টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিজ মুরিদকে জমির মালিক সাজিয়ে নিজের নামে জমি রেজিষ্ট্রি করে নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে এক পীরের বিরুদ্ধে।

লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার মুলায়েম ভূঁইয়া বাড়ীর মৃত মো. আবদুল কাইয়ুমের ছেলে এএনএম আনিছুর রহমান প্রকাশ নসা মিয়া স্থানীয় মাঝারের পীর। তিনি একই বাড়ীর মৃত আবদুল হাইয়ের তিন ছেলে হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, মো. শামছুূ্দিন ও মো. আলী আকবরসহ মৃত আবদুল কুদ্দুসের ছেলে নূর মোহাম্মদ ভূঁইয়া, মৃত আবদুল কাইয়ুমের ছেলে একেএম আতাউর রহমানের কাছ থেকে বাগান নাল ভিটি পুকুর মিলিয়ে ১৮ শতাংশ জমি দশ লাখ ৪২ হাজার টাকা দামে কেনেন বলে সাব কবলা দলিলে উল্লেখ করেন। প্রকৃতপক্ষে তা সত্য নয় বলে প্রবাসী মো. আলী আকবর ও তার স্ত্রী সন্তান জানান।

তারা বলেন, ‘আমাদের জমির কি সমস্যা হইছে, তা ঠিক করে দেয়ার কথা বলে তিনি আমাদের কাছে জমির কাগজপত্র চান। আমরা এসব বুঝি না, জানি না বলে তাকে বিশ্বাস করে কাগজপত্র, আইডি কার্ড, ছবি দিয়েছি। এমনকি খরচ বাবদ ২১ হাজার টাকা দিয়েছি। পরে জানতে পারি তিনি আমাদের জমি মুন্সিগঞ্জের এক মুরিদকে মালিক সাজিয়ে নিজের নামে রেজিষ্ট্রি করে নিয়েছেন।’

মো. আলী আকবরের স্ত্রী শাহিদা আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী বিগত সাড়ে তিন বছর ধরে বিদেশে। তার জমি অন্য মানুষকে দিয়ে রেজিষ্ট্রি করে নেয়ার বিচার চাই। এ ভুয়া দলিল বাতিলের দাবি জানাই।’

গত ১২ জুন রায়পুর সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে রেজিষ্ট্রিকৃত দলিল সূত্রে জানা গেছে, সশরীরে গিয়ে সাব কবলা দেয়ার সময় আলী আকবর ছিলেন না। তার বিপরীতে মুন্সিগঞ্জের এক লোক ভাড়ায় এনে প্রতারণার মাধ্যমে জমি আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এ নিয়ে এএনএম আনিছুর রহমান প্রকাশ নসা মিয়া মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি ঢাকায় আছি। এলাকায় এলে আপনার সাথে দেখা করব, কথা বলবো। আপনি এ বিষয়ে নিউজ করবেন না। আমি দেখা করব।’