মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

শিরোনাম

হোয়াইট হাউসের কাছে গাজা যুদ্ধবিরোধী ‘রেড লাইন’ বিক্ষোভ

সোমবার, জুন ১০, ২০২৪

প্রিন্ট করুন

ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র: ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। শনিবার (৮ জুন) হোয়াইট হাউসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন হাজারো মানুষ। ‘রেড লাইন’ নামের এ বিক্ষোভে ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা বন্ধে বাইডেন প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান বিক্ষোভকারীরা। খবর রয়টার্সের।

গাজায় ইসরাইলের আগ্রাসনের শুরু থেকেই এর বিরুদ্ধে সোচ্চার যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ। হামলা বন্ধের দাবিতে দেশটির বিভিন্ন শহরে চলছে বিক্ষোভ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর শনিবার (৮ জুন) রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির রাজপথে নামেন হাজারও মানুষ। হোয়াইট হাউসের সামনে জড়ো হয়ে করেন বিক্ষোভ। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয় নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য।

গাজার নিপীড়িত জনগণের পক্ষে ও চলমান আগ্রাসনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের বিরুদ্ধে জোরালো আওয়াজ তোলেন তারা। অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপ কোডপিংক এবং কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশনস নামের সংস্থা এ বিক্ষোভের পরিকল্পনা করে। তারা জানায়, গেল আট মাস ধরে গাজায় চলমান আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে তাদের এ আয়োজন।

এ সময় গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানান তারা। ফিলিস্তিনের জাতীয় পতাকার পাশাপাশি ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে ইসরাইলবিরোধী স্লোগানে মুখর হয়ে উঠে চারপাশ। এ সময় ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধে বাইডেন প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান আন্দোলনকারীরা। গাজায় নির্বিচারে নারী ও শিশুদের খুন করা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের নীরব ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন তারা।

বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘যুদ্ধ থামাও’, ‘গণহত্যা বন্ধ কর’, ‘ইসরাইলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধ কর’ ইত্যাদি। এ সময় গাজায় গণহত্যা সত্ত্বেও ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নমনীয় আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা।

এ দিকে, রাষ্ট্রীয় সফরকালে প্যারিসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোর সাথে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে গাজায় চলমান যুদ্ধে নেতানিয়াহু সেনাদের অভিযান চালিয়ে চার ইসরাইলি জিম্মি উদ্ধারের ব্যাপারটিকে স্বাগত জানান বাইডেন।

এ ছাড়া, সব জিম্মির মুক্তি ও যুদ্ধবিরতি না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের পাশে থাকার আশ্বাস দেন বাইডেন। একই সুরে কথা বলেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশে থাকার জন্য বাইডেনকে ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে, মধ্যপ্রাচ্যের বিরোধ নিরসনে একসাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দুই নেতা।