বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫

শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্রের নয়া কৌশল, পাল্টা জবাব ইরানের

শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২৫

প্রিন্ট করুন

নিউজ ডেস্ক: ইরানকে দমাতে তেল রফতানির পর এবার নতুন করে দেশটির ড্রোন উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত চীন ও হংকংয়ের প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞার পর নিজেদের ভূমি, আকাশ ও নৌপথে নতুন সমরাস্ত্র ও রণতরী সংযোজনের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

ইরানকে চাপে রাখতে দেশটির বিভিন্ন খাতের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। সম্প্রতি তেহরানের তেল রফতানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৩০টির বেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞার পর, এবার ড্রোন উৎপাদনের সংঙ্গে জড়িত চীন-হংকংয়রে ৬টি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলো মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাজেন্টের দফতর বিবৃতিতে জানায়, প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানের দুটি কোম্পানির হয়ে ড্রোনের মূল উপাদান ক্রয় ও সরবরাহের কাজে জড়িত ছিল। এই দুটি কোম্পানি ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রোগ্রামের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিত।

এমন পদক্ষেপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর নীতি অব্যাহত রেখেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

তবে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞার পর নিজেদের ভূমি, আকাশ ও নৌপথে নতুন সমরাস্ত্র, যুদ্ধবিমান ও রণতরী সংযোজনের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। ইরানের সেনাবাহিনীর গ্রাউন্ড ফোর্সেস নতুন করে সামরিক সরঞ্জাম পেয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ট্যাংক ট্রান্সপোর্টার, সাঁজোয়া যান ও উন্নত প্রযুক্তির ড্রোন।

এছাড়াও ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ডস কর্পস বা আইআরজিসির নৌবাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি বলেন, ‘তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বেড়েছে।’

দেশটির বন্দর আব্বাসে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে নতুন দেশীয় যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করা হয়। এই রণতরীটি ৩০০ কিলোমিটার রেঞ্জের ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম এবং ৩২ নটিকেল মাইল গতিতে চলতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রের একের পর এক চাপের মধ্যে এই উন্নয়নগুলো ইরানের সামরিক শক্তির ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা ও স্বনির্ভরতার প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।